ছবিতে লুকিয়ে রয়েছে প্রায় ১৬টি প্রাণী, দেখুন তো খুজে পান কি না

কখনো কখনো সবটা চোখের সামনে থাকলেও ধরা পড়ে না। আপনার সামনে যা দেখতে পাচ্ছেন না হয়তো চোখ বন্ধ করে অনেক পরে সেটি চোখে পড়ে! তখন আপনি অবাক হন কেন আগেই এই সহজ জিনিসটা চোখে পড়েনি। বিশেষ করে প্রকৃতি মাঝে মাঝে নানা কিছুকে নিজের সঙ্গে এমনভাবে মিলিয়ে রাখে যে সহজ সরল দৃষ্টিতে তা ধরা পড়ে না।

বেশ কিছু অপটিক্যাল ইলিউশন বা পাজল হয়তো দেখেছেন যা আপনার মাথা ঘুরিয়ে দেবে। এমনই একটি ধাঁধা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে যা শুধুমাত্র তীক্ষ্ণ মস্তিষ্কের মানুষরাই বের করতে পারবেন। এমনই একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যা দেখে মানুষ রীতিমতো ঘেঁটে ঘ হয়ে গিয়েছেন।

এই ছবিতে অনেকেই হাতি, কুকুর, বিড়াল, গাধা দেখছেন। তবে এটা কিন্তু কাজ নয়। বরং কাজ হলো এই ছবির মধ্যে থাকা ছোট প্রাণীদের খুঁজে বের করা। তাতেই হিমশিম খাচ্ছেন মানুষ। কেউ বলছেন ৬, কেউ বলছেন ৬-এর বেশি।

চমকে যাবেন তো যদি আমরা বলি এই ছবিতে ১৬টি প্রাণি রয়েছে? রয়েছে ইঁদুর, সাপ, ডলফিন, চিংড়ি, মাছ, মশা। বাকি কী কী রয়েছে সেগুলো খুঁজে বের করুন তো। এই ধরনের অপটিক্যাল ইলিউশন কিন্তু নিছক খেলা নয়। এটি আপনার মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে।

সূত্র: নিউজ ১৮

Read More – ইনহেলার ব্যবহার করলে রোজা ভেঙে যাবে কি না

পবিত্র মাহে রমজানের আজ ১৬ তম রোজা। রোজা ভাঙার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। এক্ষেত্রে যাদের শ্বাস কষ্ট হয় তারা ইনহেলার ব্যবহার করে থাকেন। অনেকেই জানতে চান ইনহেলার ব্যবহার করলে রোজা ভেঙে যাবে কি না।
স্বাভাবিকভাবে ইনহেলার ব্যবহার করলে রোজা ভেঙে যাবে। যেহেতু শ্বাসকষ্ট দূর করার জন্য ওষুধটি মুখের ভেতর স্প্রে করা হয়। এতে যে জায়গায় শ্বাসরুদ্ধ হয় ওই জায়গাটি প্রশস্ত হয়ে যায়। ফলে শ্বাস চলাচলে আর কোনো কষ্ট থাকে না।

ওষুধটি যদিও স্প্রে করার সময় গ্যাসের মতো দেখা যায়, কিন্তু বাস্তবে তা তরল ওষুধ। অতএব মুখের ভেতর স্প্রে করার দ্বারা রোজা ভেঙে যাবে। বিষয়টি নিয়ে কিছুটা মতানৈক্য থাকলেও বিশুদ্ধ মত এটিই।

তবে মুখে ইনহেলার স্প্রে করার পর না গিলে যদি থুতু দিয়ে তা বাইরে ফেলে দেওয়া হয়, তা হলে রোজা ভাঙবে না।

(ইসলাম ও আধুনিক চিকিৎসা পৃষ্ঠা: ৩২৪ মাজাল্লাতু মাজমাআইল ফিকহিল ইসলামি, খণ্ড-১০ ভলিউম- ২. পৃষ্ঠা: ৩১-৬৫)

রোজা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করার নিয়ম

অনেক অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ হলো, সেহরিতে এক ডোজ ইনহেলার নেয়ার পর ইফতার পর্যন্ত আর ইনহেলার নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না । তাই এভাবে ইনহেলার ব্যবহার করে রোজা রাখার চেষ্টা করতে হবে।

যদি কারও বক্ষব্যাধি এমন জটিল ও মারাত্মক আকার ধারণ করে যে, ইনহেলার নেয়া ব্যতীত ইফতার পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব নয়, তাদের জন্য শরিয়তে সুযোগ আছে, তারা প্রয়োজন অনুযায়ী ইনহেলার ব্যবহার করবে ও পরে রোজার কাজা করে নেবে । আর কাজা সম্ভব না হলে ফিদিয়া আদায় করবে। (ইসলাম ও আধুনিক চিকিৎসা, ৩২৪)

Leave a Reply

Your email address will not be published.