তেলাপোকার বসবাস কানে,তিন দিন ধরে

তেলাপোকার বসবাস কানে,তিন দিন ধরে

জেন ওয়েডিং নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা। মাওরি জাতিগোষ্ঠীর লোক তিনি। গত সপ্তাহে তিনি সাঁতার কেটেছিলেন। তাঁর ধারণ ছিল, এ কারণে তাঁর কানে পানি ঢুকেছে। কিন্তু তিনি অনুভব করেন, কানের ভেতর কিছু একটা আছে। এরপর চিকিৎসকের সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চিকিৎসকও তাঁকে পাত্তা দেননি। তিন দিন পর তাঁর কান থেকে বের করা হলো তেলাপোকা।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, সেদিন ওয়েডিং কানে ড্রপ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ঘুম থেকে উঠি, তখন বুঝতে পারি, কানের ফুটো বন্ধ হয়ে আছে। তাই উঠে সরাসরি চিকিৎসকের কাছে চলে যাই। আমি অপেক্ষা করছিলাম যাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। কারণ, এ জন্য বেশ যন্ত্রণা হচ্ছিল।’ তিনি আরও বলেন, কিন্তু চিকিৎসকের ধারণা ছিল, কানের ভেতর পানি ঢুকেছে। চিকিৎসক পরামর্শ দেন

ওয়েডিং বলেন, ‘সমস্যার উপশম না হলেও আমি চিকিৎসকের কাছ থেকে চলে আসি। এরপর ছুটির দিনের অধিকাংশ সময় আমি বিছানায় শুয়ে কাটাই। এই সময় হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে কান শুকানোর চেষ্টাও করি। আমি যখন শুয়ে থাকছিলাম, তখন মনে হচ্ছিল, কানের ভেতর পানি গড়াচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘কানের এই সমস্যা সমাধানে এমন কিছু নেই যে আমি করিনি। কানের ময়লা পরিষ্কারের চেষ্টা করেছি, লম্ফঝম্প করেছি, চুইংগাম চিবিয়েছি, এমনকি আমি দৌড়েছিও।’

যুক্তরাষ্ট্রের আরেক গণমাধ্যম ইনসাইডারের খবরে বলা হয়েছে, যদিও চিকিৎসক ওয়েডিংকে নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন, এই সমস্যা সেরে যাবে। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে কানের ভেতর যেটুকু পানি জমে আছে, তা শুকিয়ে যাবে।

 

তেলাপোকার বসবাস কানে,তিন দিন ধরে

জেন ওয়েডিং নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা। মাওরি জাতিগোষ্ঠীর লোক তিনি। গত সপ্তাহে তিনি সাঁতার কেটেছিলেন। তাঁর ধারণ ছিল, এ কারণে তাঁর কানে পানি ঢুকেছে। কিন্তু তিনি অনুভব করেন, কানের ভেতর কিছু একটা আছে। এরপর চিকিৎসকের সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চিকিৎসকও তাঁকে পাত্তা দেননি। তিন দিন পর তাঁর কান থেকে বের করা হলো তেলাপোকা।

সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, সেদিন ওয়েডিং কানে ড্রপ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ঘুম থেকে উঠি, তখন বুঝতে পারি, কানের ফুটো বন্ধ হয়ে আছে। তাই উঠে সরাসরি চিকিৎসকের কাছে চলে যাই। আমি অপেক্ষা করছিলাম যাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। কারণ, এ জন্য বেশ যন্ত্রণা হচ্ছিল।’ তিনি আরও বলেন, কিন্তু চিকিৎসকের ধারণা ছিল, কানের ভেতর পানি ঢুকেছে। চিকিৎসক পরামর্শ দেন

ওয়েডিং বলেন, ‘সমস্যার উপশম না হলেও আমি চিকিৎসকের কাছ থেকে চলে আসি। এরপর ছুটির দিনের অধিকাংশ সময় আমি বিছানায় শুয়ে কাটাই। এই সময় হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে কান শুকানোর চেষ্টাও করি। আমি যখন শুয়ে থাকছিলাম, তখন মনে হচ্ছিল, কানের ভেতর পানি গড়াচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘কানের এই সমস্যা সমাধানে এমন কিছু নেই যে আমি করিনি। কানের ময়লা পরিষ্কারের চেষ্টা করেছি, লম্ফঝম্প করেছি, চুইংগাম চিবিয়েছি, এমনকি আমি দৌড়েছিও।’

যুক্তরাষ্ট্রের আরেক গণমাধ্যম ইনসাইডারের খবরে বলা হয়েছে, যদিও চিকিৎসক ওয়েডিংকে নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন, এই সমস্যা সেরে যাবে। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে কানের ভেতর যেটুকু পানি জমে আছে, তা শুকিয়ে যাবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.