নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন স্কুল দফতরি

নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন স্কুল দফতরি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কুশলা ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় গুরুতর আহত স্কুল দফতরি রহিম চৌধুরী (৩৫) হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রহিম চৌধুরীর মা রিজিয়া বেগম বাদী হয়ে কোটালিপাড়া থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২৫-৩০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। মামলার বিবরণে জানা যায়, ৫ জানুয়ারি কোটালীপাড়ার কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হাবিবুল্লাহ সিকদার (মোরগ প্রতীক) তার প্রতিদ্বন্দ্বী মেম্বার প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের ইমাম হাসানকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পর কুশলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই দুই মেম্বার প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তেজনার একপর্যায়ে প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা এ সময় রহিম চৌধুরীও তাদের সঙ্গে চলে যান।

তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পরে খবর আসে নির্বাচন কেন্দ্রে একজন মেম্বার প্রার্থী ও গ্রামপুলিশ সদস্য আটকা পড়েছেন। এ খবরে রহিম তাদের আনতে গেলে ওই ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার জাহিদ ও তার সমর্থকরা রহিমকে বেধড়ক মারধর করে স্কুলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে পরদিন

নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন স্কুল দফতরি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কুশলা ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় গুরুতর আহত স্কুল দফতরি রহিম চৌধুরী (৩৫) হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রহিম চৌধুরীর মা রিজিয়া বেগম বাদী হয়ে কোটালিপাড়া থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২৫-৩০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। মামলার বিবরণে জানা যায়, ৫ জানুয়ারি কোটালীপাড়ার কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হাবিবুল্লাহ সিকদার (মোরগ প্রতীক) তার প্রতিদ্বন্দ্বী মেম্বার প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের ইমাম হাসানকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পর কুশলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই দুই মেম্বার প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তেজনার একপর্যায়ে প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা এ সময় রহিম চৌধুরীও তাদের সঙ্গে চলে যান।

তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পরে খবর আসে নির্বাচন কেন্দ্রে একজন মেম্বার প্রার্থী ও গ্রামপুলিশ সদস্য আটকা পড়েছেন। এ খবরে রহিম তাদের আনতে গেলে ওই ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার জাহিদ ও তার সমর্থকরা রহিমকে বেধড়ক মারধর করে স্কুলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে পরদিন

নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন স্কুল দফতরি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কুশলা ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় গুরুতর আহত স্কুল দফতরি রহিম চৌধুরী (৩৫) হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রহিম চৌধুরীর মা রিজিয়া বেগম বাদী হয়ে কোটালিপাড়া থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২৫-৩০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। মামলার বিবরণে জানা যায়, ৫ জানুয়ারি কোটালীপাড়ার কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হাবিবুল্লাহ সিকদার (মোরগ প্রতীক) তার প্রতিদ্বন্দ্বী মেম্বার প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের ইমাম হাসানকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পর কুশলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই দুই মেম্বার প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উত্তেজনার একপর্যায়ে প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা এ সময় রহিম চৌধুরীও তাদের সঙ্গে চলে যান।

তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পরে খবর আসে নির্বাচন কেন্দ্রে একজন মেম্বার প্রার্থী ও গ্রামপুলিশ সদস্য আটকা পড়েছেন। এ খবরে রহিম তাদের আনতে গেলে ওই ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার জাহিদ ও তার সমর্থকরা রহিমকে বেধড়ক মারধর করে স্কুলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে পরদিন

Leave a Reply

Your email address will not be published.