পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ,১১ দফা বিধিনিষেধ না মানলে

পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ,১১ দফা বিধিনিষেধ না মানলে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলছে। সরকারের ১১ বিধিনিষেধ না মানলে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে। লকডাউন দিলে দেশের ক্ষতি। সরকার সেদিকে যেতে চায় না। তাই সবাইকে তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিস ইউনিট ও সিটি স্ক্যান ইউনিট উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সময় বলেন, শুক্রবার ৪ হাজার ৪০০ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং সংক্রমণের হার ১৩ শতাংশের বেশি। প্রতিদিন সংক্রমণের হার ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সবাইকে টিকা নিতে হবে। দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই। ইতিমধ্যে সোয়া ১৪ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭০ লাখ শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাণিজ্য মেলাসহ অনেক স্থানে সামাজিক অনুষ্ঠানে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। এটা খুবই উদ্বেগজনক। নিজের জন্য, দেশের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মাস্ক পরার কোনো বিকল্প নেই। মাস্ক পরতে হবে যাতে আমরা সংক্রমিত না হই।’

একটি সমীক্ষার উদাহরণ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিদিন আড়াই হাজার করোনা আক্রান্ত রোগী হয়। সেখানে ৩০০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে শতকরা ১ ভাগ রোগীর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) প্রয়োজন হচ্ছে। এই মুহূর্তে এটিও আশঙ্কাজনক। এভাবে সংক্রমণ ও রোগী বাড়তে থাকলে হাসপাতালগুলোতে জায়গা থাকবে না। কাজেই সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

 

পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ,১১ দফা বিধিনিষেধ না মানলে

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলছে। সরকারের ১১ বিধিনিষেধ না মানলে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে। লকডাউন দিলে দেশের ক্ষতি। সরকার সেদিকে যেতে চায় না। তাই সবাইকে তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিস ইউনিট ও সিটি স্ক্যান ইউনিট উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সময় বলেন, শুক্রবার ৪ হাজার ৪০০ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং সংক্রমণের হার ১৩ শতাংশের বেশি। প্রতিদিন সংক্রমণের হার ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। সবাইকে টিকা নিতে হবে। দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই। ইতিমধ্যে সোয়া ১৪ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭০ লাখ শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাণিজ্য মেলাসহ অনেক স্থানে সামাজিক অনুষ্ঠানে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। এটা খুবই উদ্বেগজনক। নিজের জন্য, দেশের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মাস্ক পরার কোনো বিকল্প নেই। মাস্ক পরতে হবে যাতে আমরা সংক্রমিত না হই।’

একটি সমীক্ষার উদাহরণ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিদিন আড়াই হাজার করোনা আক্রান্ত রোগী হয়। সেখানে ৩০০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এর মধ্যে শতকরা ১ ভাগ রোগীর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) প্রয়োজন হচ্ছে। এই মুহূর্তে এটিও আশঙ্কাজনক। এভাবে সংক্রমণ ও রোগী বাড়তে থাকলে হাসপাতালগুলোতে জায়গা থাকবে না। কাজেই সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *