বছরের শুরুতেই জমে উঠেছে রাঙামাটি (Rangamati hill district)

Rangamati, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ,জেলা পরিষদ রাঙ্গামাটি,রাঙ্গামাটি জেলা,রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ শিক,রাঙ্গামাটি ঝুলন্ত ব্রিজ,রাঙ্গামাটি ভ্রমণ,রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ,রাঙ্গামাটি কলেজ গেট।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পর্যটক কেন্দ্র উপচেপড়া ভিড়।প্রাকৃতিক প্রেমীকেরা ছুটে যাচ্ছেন সবুজের নীলা ভূমি রাঙামাটিতে,পর্যটকদের ভিড় বাড়াতে জমে উঠেছে ব্যবসা-বাণিজ্য।যার মধ্যে রয়েছে পোশাক শিল্প ও স্থানীয় ভাবে তৈরি হওয়া বিভিন্ন ধরণের পণ্য সামগ্রী,বিপুল পরিমাণের মানুষ থাকায় হোটেল,রেস্তোরাঁ মালিকরা আনন্দিত।এর পাশাপাশি ঘুরতে যাওয়া মানুষদের নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন যানবাহন অটোরিক্সা ও নৌযান চালকেরাও।রাঙামাটি ভ্রমণ করতে আসা মানুষেরা উচ্চ দামে ক্রয় করছেন তাদের তৈরি বিভিন্ন পোশাক ও ফলমূল। এতে বলতে গেলে কিছু টা সময় জন্য চাঙ্গা হয়েছে উঠেছে রাঙামাটি।

(Rangamati) রাঙামাটিতে আসা পর্যটকদের বিশেষ করে মন কেড়ে নেয় রাঙামাটি ঝুলন্ত ব্রিজ যার দৈগ্য ৩৩৫ ফুট।এছাড়া আরো রয়েছে দৃষ্টি নন্দিত কিছু স্থান সুভলং ঝরনা,সুখী নীলগঞ্জ,আরণ্যক হলিডে রিসোর্ট এবং বিহার এলাকার। জেলা পরিষদ রাঙামাটিতে মানুষের বেশি ভিড় থাকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।

হ্রদ ঘিরেই আনন্দ

সুভলং ঝর্ণা জলরাশি মন কেড়ে নিয়ে যায় পর্যটকদের মন।আলো ছায়ার খেলায় মত্ত সাদা মেঘের ভেলা পাহাড়মালার সাথে মাখামাখি আর লুটোপুটিতেই যেন মাতোয়ারা।  আর মেঘের সাদা ঢেউয়ের উপর হারিয়ে যেতে পারেন আপনি স্বপ্নের দেশে।প্রতিটা মূহুর্তে মনে হবে আপনি এক সবুজ নীলা ভূমিতে বসবাস করছেন।চারদিকে পাখির ডাক,মিষ্টি বাতাস আপনার মনকে মুখরিত করে তুলবে।

(Rangamati) রাঙামাটিতে রয়েছে সারি সারি নকশা করা মত উঁচু নিচু ছোট বড় বিপুল পরিমাণের পাহাড়।যে দিকে পর্যটকদের চোখ যায় সবুজ আর সবুজ। কিন্তু এই সব পাহাড়ে মাঝে মাঝে রয়েছে মন কেড়ে নেয় এমন ঝর্ণা। নৈসর্গিক লীলাভূমি পাহাড়ি জনপদ রাঙামাটি যেন শিল্পীর হাতে আঁকা নিখাঁদ জীবন্ত ছবি- মন হারায় নিমিষেই সকল মানুষের।

ছুটির দিনে ছুটে আসে অনেক মানুষ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা(Rangamati district) শুধু নিজেদের মনের কষ্ট দূর করতে এবং প্রাকৃতিক প্রভুর দেওয়া সুন্দর্য উপভোগ করতে।এই সব লীলাখেলা দেখে পর্যটকদের মূখে হাসি আর আনন্দ ভরা মন।প্রর্যটকদের মন কেড়ে নিয়ে যাব রাঙামাটি ঝুলন্ত ব্রিজ।শহরের পর্যটন সুভলং ঝরনা, পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স, সুখী নীলগঞ্জ এবং রাজবন বিহার এলাকায় প্রতিনিয়ত ভিড় জমান বেড়াতে আসা পর্যটকরা।

আবাসিক হোটেল(Rangamati Hotel) প্রিন্স মালিক বলেন,এই বার যতটুকু আসা করছি তার চেয়ে বেশি প্রর্যটক এখানে এসেছে।সবাই আগে থেকে রোম বুকিং করে রেখেছে।অনেকেই ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩ মে পর্যন্ত বুকিং দিয়ে রাখছে।মনে হচ্ছে এই বার ব্যবসা অনেক ভালো হবে অন্যবারের তুলনায়।

ড্রিমওয়ে আবাসিক হোটেল(Rangamati hotel) মালিক মোস্তফা কামাল বলেন,এই মৌসুমে দিন দিন পর্যটক বেড়ে চলছে যা সকল ব্যবসায়ী জন্য একটা ভালো সংবাদ।প্রতিবছর মানুষ আসে এই সবুজের নীলা ভূমি রাঙামাটি দেখতে।

হলিডে কমপ্লেক্স রাঙামাটির ব্যবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেন,ঝুলন্ত ব্রিজ দেখতে আসা মানুষের সংখ্যা অনেক পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে যা সবার চোখে পড়ার মত।সবাই নিজ নিজ পরিবার নিয়ে এখানের সুন্দরর্য উপভোগ করতে আসছেন। 

রাঙামাটি ট্যুরিস্ট পুলিশের(Rangamati police) পরিদর্শক মাকসুদ আহম্মদ বলেন,অন্য বারের তুলনায় এই বার মানুষের ভিড় বেশি।এছাড়া সকল ধরনের নিরাপত্তার জন্য সব সময় প্রস্তুত আছেন রাঙামাটি টু্যরিস্ট পুলিশ।

রয়েছে নানান সুবিধা(Rangamati)

রাঙামাটিতে ৪২ টির মত আবাসিক হোটেল রয়েছে,সকল হোটেল বেসরকারি।কমপক্ষে হলেও প্রতিদিন তিন হাজার মানুষ এই হোটেল গুলাতে থাকতে পারবেন।তাদের নিরাপত্তা দিতে রয়েছেন রাঙামাটি টুরিস্ট পুলিশ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সব সময় প্রস্তুত। হাজার হাজার মানুষ নিজেদের অশান্ত মনকে শান্ত করতে ছুটে আসে এইখানে।বিনোদনের খুঁজতে আসা পর্যটক কিছুটা সময়ের জন্য হলেও নিজেদের নানা কষ্ট চিন্তা দূর করতে পারে।তারা নিজেদের বিলিয়ে দেয় সবুজ অরণ্যে রাঙামাঠি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.